কীভাবে শুরু হলো y666-এর যাত্রা
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছিল, কিন্তু বাংলাদেশি গেমারদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য, বাংলায় পরিচালিত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল প্রকটভাবে। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল জটিল এবং সাপোর্টে বাংলা বলার সুযোগ ছিল না বললেই চলে।
এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই y666-এর জন্ম। একটি ছোট কিন্তু উদ্যমী দল মিলে তৈরি করলেন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সহজে খেলতে পারবেন, বিকাশে টাকা জমা দিতে পারবেন এবং যেকোনো সমস্যায় বাংলায় সাহায্য পাবেন। প্রথম বছরেই y666-এ যোগ দিলেন কয়েক হাজার সদস্য, আর মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে লাগল এই প্ল্যাটফর্মের সুনাম।
y666-এর মিশন ও দৃষ্টিভঙ্গি
আমাদের মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি গেমারের কাছে বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — সহজ ভাষায়, সহজ পদ্ধতিতে। y666 বিশ্বাস করে যে গেমিং একটা বিনোদন, একটা আনন্দের মাধ্যম। তাই আমরা সবসময় খেলোয়াড়দের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার — স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং নিরাপত্তা। y666-এর প্রতিটি গেম সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) দ্বারা পরিচালিত, যার মানে প্রতিটি স্পিন বা বাজির ফলাফল সম্পূর্ণ র্যান্ডম এবং কারচুপিমুক্ত। তৃতীয় পক্ষের আন্তর্জাতিক অডিটররা নিয়মিত আমাদের গেমগুলো যাচাই করেন।
বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি
y666-এর প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। দেশের ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে অনলাইনে আসেন — তাই y666 সম্পূর্ণ মোবাইল-অপ্টিমাইজড। যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস ডিভাইসে শুধু ব্রাউজার খুলে y666.bar লিখলেই শুরু করা যায়, কোনো আলাদা অ্যাপ লাগে না।
পেমেন্টের ক্ষেত্রে y666 বিকাশ, নগদ ও রকেট সহ সমস্ত জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস সমর্থন করে। মাত্র ৳১০০ থেকে ডিপোজিট করা যায় এবং জেতার পর ৳২০০ থেকে উইথড্র করা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উইথড্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।